মেনু নির্বাচন করুন
পাতা

সাম্প্রতিক কর্মকান্ড

গত তিন বছরের অর্জনঃ

বন্যার ক্ষয়ক্ষতি হতে দেশের জনসাধারণের জানমাল রক্ষা ও খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয় বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নদী ভাঙ্গনরোধ, নদী ড্রেজিং, সেচ ব্যবস্থাপনা উন্নয়ন, জলাবদ্ধতা দূরীকরণ ও ভূমি পুনঃরুদ্ধারের কাজ করছে। গত তিন বছরে উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল, বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড, রাজশাহীর অধিক্ষেত্রে

১। ৫৭.৬৪ কিঃমিঃ নদীতীর সংরক্ষন বাস্তবায়ন হয়েছে। ফলে চাঁপাইনবাবগঞ্জের আলাতুলি, রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ, নাটোরের লালপুর, পাবনার ঈশ্বরদীতে হার্ডিঞ্জব্রীজ পর্যন্ত ও সুজানগরের কিছু অংশ, নগরবাড়ি, সিরাজগঞ্জের সদর এবং কাজিপুর ও বগুড়ার সারিয়াকান্দির অংশবিশেষ পদ্মা ও যমুনা নদীর ভাঙ্গন হতে রক্ষা পেয়েছে।

২। সীমান্ত নদী পূনর্ভবা ও মহানন্দায় 1.75 কিঃমিঃ নদীতীর সংরক্ষণের মাধ্যমে নওগাঁ ও চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলায় দেশের ভূ-খন্ড ও স্থাপনাসমূহ নদী ভাঙ্গন হতে রক্ষা করা হয়েছে।

৩। ৪.৫০ কিঃমিঃ যমুনা নদী ড্রেজিং এবং ১.৮৫ কিঃমিঃ বড়াল নদী খনন করা হয়েছে।

৪। ক্যাপিটাল (পাইলট) ড্রেজিং প্রকল্পের আওতায় সিরাজগঞ্জে ১৬.০০ বর্গ কিঃমিঃ ভূমি পুনরুদ্ধারকৃত জমিতে অর্থনৈতিক অঞ্চল স্থাপন শুরু হয়েছে।

৪। নওগাঁ শহর বন্যা মুক্ত রাখতে 6.9২4 কিঃমিঃ ফ্লাড ওয়াল নির্মান করা হয়েছে।

৫। নওগাঁ জেলায় প্রায় ৪.০০ কি:মি: খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

৫। বগুড়া ও সিরাজগঞ্জে  12.09 কিঃমিঃ বিআরই বিকল্প বাঁধ নির্মান করা হয়েছে।

৬। সিরাজগঞ্জ হার্ড পয়েন্ট সংলগ্ন রেষ্ট হাউজ নির্মান করা হয়েছে।

৭। ৩টি ক্রসবার, বিকল্প বাঁধ ও খাল খননের জন্য 107.73 হেক্টর জমি অধিগ্রহন করা হয়েছে।

৮। পাবনা জেলায় ৩৭.৭০ কি:মি: খাল পুনঃখনন করা হয়েছে।

৯। পাবনা সেচ ও পল্লী উন্নয়ন প্রকল্পে নিয়মিত সেচ প্রদান করা হচ্ছে।

চলমান প্রকল্প:

১। বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন কুর্নিবাড়ী হতে চন্দনবাইশা পর্যন্ত যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ কাজসহ বিকল্প বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প (১ম সংশোধিত) বগুড়া জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলাধীন কুর্নিবাড়ী হতে চন্দনবাইশা পর্যন্ত যমুনা নদীর ডানতীর সংরক্ষণ কাজসহ বিকল্প বাঁধ নির্মাণ প্রকল্প ( ডিপিপি কার্যক্রমঃ জমি অধিগ্রহণ-৩১.৭০ হেঃ, নদী তীর সংরক্ষণ- ৫.৯ কিঃমিঃ)

২। পাবনা জেলার সুজানগর উপজেলার গাজনার বিলের সংযোগ নদী খনন, সেচ সুবিধার  উন্নয়ন এবং মৎস্য চাষ প্রকল্প (ডিপিপি কার্যক্রমঃ জমি অধিগ্রহণ- ১৮৬.১০ হেঃ, শাখা খাল পুনঃখনন- ৯০.১৮ কিঃমিঃ, বাদাই নদী পুনঃখনন-৪৭.৭৩ কিঃমিঃ, তালিমনগর পাম্প স্টেশন নির্মাণ- ১টি, হাইড্রোলিক স্ট্রাকচার-১৭টি,  ব্রীজ নির্মান-২টি, যমুনা নদী ড্রেজিং- ৩০০ মিঃ) 

৩। সিরাজগঞ্জ জেলায় যমুনা নদী হতে পুনরম্নদ্ধারকৃত ভূমির উন্নয়ন এবং প্রস্তাবিত অর্থনৈতিক অঞ্চল রক্ষা প্রকল্প( ডিপিপি কার্যক্রমঃ নদী তীর সংরক্ষণ- ৩.২০ কিঃমিঃ, নদী ড্রেজিং দ্বারা পুনরম্নদ্ধারকৃত জমি ভরাট- ৪.৬৮ বর্গ কিঃমিঃ, মাটির বাঁধ নির্মাণ- ৩.২০ কিঃমিঃ, ড্রেনেজ আউটলেট কাম ব্রীজ (৫০ মিঃ) নির্মাণ- ১টি)

৪। যমুনা নদীর ভাঙ্গন হতে সিরাজগঞ্জ জেলার কাজিপুর উপজেলাধীন খুদবান্দি, সিংড়াবাড়ী ও শুভগাছা এলাকা সংরক্ষণ প্রকল্প( ডিপিপি কার্যক্রমঃ জমি অধিগ্রহণ-১৩.৫০ হেঃ, নদী তীর সংরক্ষণ- ৪.০০ কিঃমিঃ, বাঁধ পুনরাকৃতিকরণ- ৪০.০০ কিঃমিঃ, স্পার পুনর্বাসন- ২টি, নদী ড্রেজিং- ১৮.০০ কিঃমিঃ)

৫। নাটোর জেলার সিংড়া পৌরসভা এলাকা আত্রাই ও নাগর নদীর ভাংগন হইতে রক্ষা প্রকল্প( ডিপিপি কার্যক্রমঃ তীর প্রতিরক্ষা- ১.৭০৮ কিঃমিঃ, নদী পুনঃখনন- ১৬.০০ কিঃমিঃ)

৬। নওগাঁ জেলার সাপাহার ও পোরশা উপজেলাধীন জবাইবিল বন্যা নিয়ন্ত্রণ, পানি নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্প( ডিপিপি কার্যক্রমঃ জমি অধিগ্রহণ-৭.৯৩ হেঃ, ১৪-ভেন্ট রেগুলেটর নির্মাণ-১টি , ইনলেট নির্মাণ-১০টি, খাল পুন:খনন-২০ কিঃমিঃ , আপ্রোচ বাঁধের স্লোপ প্রতিরক্ষা -০.৮০ কিঃমিঃ, বাঁধ পুনরাকৃতিকরন-১৪.০০ কিঃমি)

৭। চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলার সদর উপজেলায় মহানন্দা নদী ড্রেজিং ও রাবার ড্যাম নির্মাণ প্রকল্প( ডিপিপি কার্যক্রমঃ জমি অধিগ্রহণ ১.০০ হেঃ, রাবার ড্যাম নির্মান-১টি, নদী ড্রেজিং-৩৬.০৫ কিঃমিঃ)

৮। পদ্মা নদীর ভাঙ্গন হতে রাজশাহী মহানগরীর অন্তর্ভূক্ত সোনাকান্দি হতে বুলনপুর পর্যন্ত এলাকা রক্ষা প্রকল্প ডিপিপি কার্যক্রমঃ নদী তীর সংরক্ষন কাজ- ৪.৯০৫ কিঃমিঃ গ্রোয়েন/স্পার পুনর্বাসন কাজ- ৩টি (১টি প্যাকেজ), নদী ড্রেজিং ৬.০০ কিঃমিঃ)

 

ছবি


সংযুক্তি


সংযুক্তি (একাধিক)



Share with :

Facebook Twitter